ধ্বনি

ধ্বনিঃ

    • মানুষের মুখ হতে নিঃসৃত প্রত্যেক একটি শব্দই ধ্বনি ।
    • ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে ধ্বনি পাওয়া যায় ।

ধ্বনির প্রকারভেদঃ

    • স্বর ধ্বনিঃ যে ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ব্যতিত উচ্চারিত হতে পারে তাকে স্বর ধ্বনি বলে । যেমনঃ- ই, এ ইত্যাদি
    • ব্যঞ্জনধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারিত হতে অন্য ধ্বনির সাহায্য নেয় তাকেই ব্যঞ্জনধ্বনি বলে ।

বর্ণঃ

    • ধ্বনি প্রকাশের জন্য যে সংকেতিক চিহ্ন ব্যবহা করি তাকেই আমরা বর্ণ বলি- যেমনঃ- (ক, খ ) ইত্যাদি এদের লিখিত রুপকে আমরা বর্ণ বলে থাকি ।। বর্ণ ২টি ভাগে ভাগ করা যায়- ১। স্বরধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে স্বরবর্ণ এবং ২। ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে ।
    • হসন্ত চিহ্ন, বর্ণ সংযোগ, ও বর্ণ বিশ্লেষণ একই বোঝায়।
    • একটি বর্ণের সহিত অন্য আর একটি বর্ণের মিলনকে সাধারনত বর্ণ সংযোগ বলে আবিহিত করা হয় । যেমনঃ কলম (ক+অ+ল+অ+ম)
    • যে ধ্বনি উচ্চারণে কম সময় প্রয়োজন = লঘুস্বর
    • যে ধ্বনি উচ্চারণে বেশি সময় প্রয়োজন = দীর্ঘস্বর
    • মূলস্বর ধ্বনি = ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, এ্যা, ও)
    • দ্বিস্বরধ্বনি = স্বরধ্বনি + অর্ধস্বরধ্বনি
    • ব্যঞ্জনবর্ণ তিন প্রকার ১। স্পর্শ বর্ণ (ক-ম পর্যন্ত), ২। উষ্মবর্ণ বা শিশ ধ্বনি বা নিঃশ্বাসাশ্রয়ী বর্ণ (শ, ষ, স ইত্যদি), ৩। অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব)


উচ্চারণের স্থান ও তার বিবারণ

বর্গের নাম উচ্চারণ স্থান স্বল্পপ্রাণ ও অঘোষ বর্ণ মহাপ্রাণ ও অঘোষ বর্ণ স্বল্পপ্রাণ ও ঘোষ বর্ণ মহাপ্রাণ ও ঘোষ বর্ণ নাসিক্য ও ঘোষ বর্ণ
ক-বর্গ কন্ঠ
চ-বর্গ তালু
ট-বর্গ মূর্ধা
ত-বর্গ দন্ত
প-বর্গ ওষ্ঠ

উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী ব্যাঞ্জনবর্ণ ও তার বিবারণ

শ্রেণীর নাম বর্ণ উচ্চারন স্থান উচ্চারক
জিহবামূলীয় ক, খ, গ, ঘ, ঙ কোমল তালু জিহবামূল
তালব্য চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ অগ্রতালু জিহবার পাতা
মূর্ধান্য ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ড়, ঢ় পশ্চাৎ দন্তমূল জিহবার ডগা
দন্ত্য ত, থ, দ, ধ ওপরের দাঁত জিহবার ডগা
ওষ্ঠ প, ফ, ব, ভ, ম ওপরের ঠোঁট নিচের ঠোঁট
দন্তমূলীয় ন, য, র, ল, ম অগ্র দন্তমূল জিহবার ডগা
কন্ঠ্য হ, ঃ কন্ঠ

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

Most popular

Most discussed